Friday, 17 June 2022

,

 'ইউনিভার্স ২৫' বিজ্ঞানের ইতিহাসে অন্যতম ভয়ানক একটি গবেষনা, যেখানে ইদুঁরের কলোনির উপর পরীক্ষানিরীক্ষার উপর ভিত্তি করে মানব সভ্যতাকে বোঝার চেষ্টা করেন বিজ্ঞানীরা। 


এই 'ইউনিভার্স ২৫' এর চিন্তাটি আসে মার্কিন বিজ্ঞানী জন ক্যালহোনের কাছ থেকে। তিনি একটি 'আদর্শ দুনিয়া' নির্মাণ করেন যেখানে ইঁদুরেরা থাকবে এবং বংশবৃদ্ধি করবে। আরও ভালোভাবে বলতে, ক্যালহোন ইদুরের স্বর্গ নামের একটা বিশেষ পরিবেশ তৈরি করেন, যেখানে অঢেল খাবার, পানি ও থাকার জন্য প্রয়োজনের চেয়ে বেশি জায়গা ছিলো। শুরুতে সেখানে তিনি চার জোড়া ইঁদুর রাখেন, যেগুলা উপযুক্ত পরিবেশে অল্প সময়ের মধ্যে বংশবৃদ্ধি শুরু করে এবং সেটাও বেশ দ্রুত গতিতে। 

অবাক করা ব্যাপার হল, ইঁদুরদের সেই স্বর্গে রাখার মাত্র ৩১৫ দিন পরেই বংশবৃদ্ধির হার কমে যায়। যখন ইঁদুরের সংখ্যা ৬০০ তে পৌছালো তখন সেখানে দুটি জাত তৈরি হয় ভালো ও 'বিকৃত' ইঁদুরের। এর পর থেকে দূর্বল ইঁদুর গুলো আক্রমণের শিকার হয় এবং অনেক পুরুষ ইঁদুর 'মানষিকভাবে ভেঙে পড়ে'। 


ইঁদুরের স্বর্গে থাকার ফল নারীদের ভেতরে পড়েছিল অন্যভাবে। নারীরা নিজেদের আত্মরক্ষা থেকে সরে আসে এবং তাদের সন্তানদের প্রতি আক্রমনাত্মক হয়ে উঠে। নারী ইদুরদের মাঝে এই আক্রমনাত্মক মনোভাব ক্রমে ক্রমে বৃদ্ধি পায়। এর ফলে শিশু জন্মহার ক্রমেই কমতে শুরু করে এবং বিপরীতে শিশু মৃত্যুহার বেড়ে যায়। 


পুরুষদের মাঝে একটি নতুন জাতের ইঁদুরের উৎপত্তি হয় যারা কিনা 'সুন্দরী ইঁদুর'। তারা নারীদের সাথে বংশবৃদ্ধি ও জায়গার জন্য 'লড়াই' কর‍তে অস্বীকৃতি জানায়। তারা স্রেফ খাদ্য ও ঘুম নিয়ে চিন্তিত হয়। একসময় যেয়ে সুন্দরী পুরুষ ও আক্রমণাত্মক নারীরাই সংখ্যাগরিষ্ঠতা লাভ করে।


ক্যালহোনের মতে, মৃত্যুর দুটি ধাপ ছিলো। 'প্রথম মৃত্যু' ও 'দ্বিতীয় মৃত্যু'। শেষটি হচ্ছে যখন জীবনের অর্থহীন হয়ে পড়ে অর্থাৎ বংশবৃদ্ধির ইচ্ছার অভাব তৈরি, সন্তান পালনের প্রতি অনিহা এবং সমাজে নিজের অবস্থান তৈরি করতে এগিয়ে না যাওয়া। সময়ের সাথে সাথে শিশু ইঁদুরদের মাঝে মৃত্যুর হার ১০০% ছুয়ে যায় এবং বংশবৃদ্ধি শূণ্যতে গিয়ে ঠেকে।


ঝুকিপূর্ণ অবস্থায় থাকা ইঁদুর গুলোর মাঝে সমকামী তৈরি হয় এবং তারা নিজেরাই নিজেদের খেতে শুরু করে। এই বিকৃত মস্তিষ্কদের সংখ্যা দিন দিন বাড়তে থাকে যদিও সেখানে খাবারের কোনো অভাব ছিলো না। 


এই গবেষণা শুরুর দুই বছর পর শেষ ইঁদুরটি জন্ম নেয়৷ ১৯৭৩ সালের মধ্যে 'ইউনিভার্স ২৫' প্রজেক্টের শেষ ইঁদুরটি মারা যায়। জন ক্যালহোন এই পরীক্ষাটি আরো পঁচিশবার করেন এবং সবগুলো পরীক্ষাতেই একই ফলাফল আসে৷ ক্যালহোনের এই বৈজ্ঞানিক কাজের মাধ্যমে নাগরিক সমাজ ও সভ্যতার অবক্ষয় টের পাওয়া যায় এবং শহুরে জীবন সম্বন্ধে গুরুত্বপূর্ণ ধারণা পাওয়া যায়। 


আমরা আজকের দুনিয়ায় এই একই জিনিসটা দেখছি। একদিকে দূর্বল, মেয়েলী পুরুষ যার কোনো উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিগত দক্ষতা কিংবা আত্মরক্ষার সামর্থ্য নেই; আর অন্যদিকে আক্রমনাত্মক নারী, যারা অতিরিক্ত বদ মেজাজি এবং প্রাকৃতিক মাতৃত্ব থেকে দূরে।



মূলঃ Wren Barnes

Monday, 23 May 2022

,

ভারতীয় শাসকগণ ও তাদের শাসনামল!! ঘৌরি সাম্রাজ্য থেকে নরেন্দ্র মোদী পর্যন্ত...... 




1 = 1193 মোহাম্মদ ঘোরি

2 = 1206 কুতুবুদ্দিন আইবাক

3 = 1210 বাকি শাহ

4 = 1211 ইখতিয়ারউদ্দিন বখতিয়ার খিলজি

5 = 1236 রকিনউদ্দিন ফিরোজ শাহ

6 = 1236 রাজা সুলতান

7 = 1240 মোজাদ্দিন বাহরাম শাহ

8 = 1242 আল-দীন মাসউদ শাহ

9 = 1246 নাসিরুদ্দিন মাহমুদ

10 = 1266 গিয়াসউদ্দিন বালবিন

11 = 1286 ..........

12 = 1287 মসজিদের কাবাদন

13 = 1290 শামসুদ্দিন কামার্স

মহান সাম্রাজ্যের সমাপ্তি

(সরকার থেকে -97 বছর প্রায় দূরে।)


* সাম্রাজ্যের সাম্রাজ্য *


1 = 1290 জালালউদ্দিন ফিরোজ খিলজি

2 = 1292 ineশিক ধর্ম

4 = 1316 শাহাবুদ্দিন ওমর শাহ

5 = 1316 কুতুবুদ্দীন মোবারক শাহ

6 = 1320 নাসিরুদ্দিন খুসরো শাহ

খলজি সাম্রাজ্যের সমাপ্তি

(সরকারী -30 বছর প্রায়)


* তুঘলক সাম্রাজ্য *


1 = 1320 গিয়াসউদ্দিন তুঘলক (প্রথম)

2 = 1325 মোহাম্মদ ইবনে তুঘলক (দ্বিতীয়)

3 = 1351 ফিরোজ শাহ তুঘলক

4 = 1388 গিয়াসউদ্দিন তুঘলক (দ্বিতীয়)

5 = 1389 আবু বকর শাহ

6 = 1389 মোহাম্মদ তুঘলক (সোম)

7 = 1394 .......... (আমি)

8 = 1394 নাসিরুদ্দিন শাহ (দ্বিতীয়)

9 = 1395 নুসরত শাহ

10 = 1399 নাসিরুদ্দিন মোহাম্মদ শাহ (দ্বিতীয়)

11 = 1413 সরকার

তুঘলক সাম্রাজ্যের সমাপ্তি

(সরকার -94 বছর প্রায় দূরে।)


* সা Saeedদ রাজবংশ *


1 = 1414 খেজুর খান

2 = 1421 মুইজউদ্দিন মোবারক শাহ (দ্বিতীয়)

3 = 1434 মুহাম্মদ শাহ (চতুর্থ)

4 = 1445 আল্লাহ আলম শাহ

সা'দ রাজ্যের সমাপ্তি

(সরকারী -৩ 37 বছর প্রায়)


লোধি সাম্রাজ্য


1 = 1451 বাহলোল লোধি

2 = 1489 লোধি (দ্বিতীয়)

3 = 1517 আব্রাহাম লোধি

লোধি সাম্রাজ্যের সমাপ্তি

(সরকারী-75 বছর প্রায়)


মুঘল সাম্রাজ্য


1 = 1526 জহিরউদ্দিন বাবর

2 = 1530 হুমায়ুন

মুঘল সাম্রাজ্যের সমাপ্তি


সুরিয়ান সাম্রাজ্য


1 = 1539 শের শাহ সুরি

2 = 1545 ইসলাম শাহ সুরি

3 = 1552 মাহমুদ শাহ সুরি

4 = 1553 আব্রাহাম সুরি

5 = 1554 পারভেজ শাহ সুরি

6 = 1554 মোবারক খান সুরি

সুররিয়ান সাম্রাজ্যের সমাপ্তি

(সরকারী -16 বছর প্রায়)


আবার মোগল সাম্রাজ্য


1 = 1555 হুমায়ুন (আবার)

2 = 1556 জালালউদ্দিন আকবর

3 = 1605 জাহাঙ্গীর স্লাম

4 = 1628 শাহ জাহান

5 = 1659 আওরঙ্গজেব

6 = 1707 শাহ আলম (প্রথম)

7 = 1712 বাহাদুর শাহ

8 = 1713 ফার্কুয়ারশিয়ার

9 = 1719 রিফাদ রজত

10 = 1719 ...............

11 = 1719 ...............

12 = 1719 মাহমুদ শাহ

13 = 1748 আহমেদ শাহ

14 = 1754 ...................

15 = 1759 শাহ আলম

16 = 1806 আকবর শাহ

17 = 1837 সাহসী কিং জাফর

মুঘল সাম্রাজ্যের সমাপ্তি

(সরকারী -১১৫ বছর থেকে দূরে।)


* ব্রিটিশ রাজ *


1 = 1858 লর্ড কিং

2 = 1862 লর্ড জেমস ব্রুস এলগিন

3 = 1864 লর্ড জে লরেন্স

4 = 1869 লর্ড রিচার্ড মায়ো

5 = 1872 লর্ড নর্থবাক

6 = 1876 লর্ড এডওয়ার্ড ল্যাটিন

7 = 1880 লর্ড জর্জ রিপন

8 = 1884 লর্ড ডাফারিন

9 = 1888 লর্ড হ্যানি লেসডন

10 = 1894 লর্ড ভিক্টর ব্রুস এলগিন

11 = 1899 লর্ড জর্জ করজিয়ান

12 = 1905 লর্ড গিলবার্ট মিন্টো

13 = 1910 লর্ড চার্লস হার্ড্জ

14 = 1916 লর্ড ফ্রেডেরিক থেকে এক্সিকিউয়ারে

15 = 1921 লর্ড রাক্স আজাক রিদিগ

16 = 1926 লর্ড এডওয়ার্ড ইরউইন

17 = 1931 লর্ড ফারম্যান ওয়েলডন

18 = 1936 লর্ড আলেজান্দ্রা লিনলিথগো

19 = 1943 লর্ড অর্কিবল্ড হুইল

20 = 1947 লর্ড মাউন্ট ব্যাটন


ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদের সমাপ্তি


ভারত, প্রধানমন্ত্রী


1 = 1947 জওহরলাল নেহেরু

2 = 1964 গোলজারি লাল নন্দ

3 = 1964 লাল বাহাদুর শাস্ত্রী

4 = 1966 গোলজারি লাল নন্দ

5 = 1966 ইন্দিরা গান্ধী

6 = 1977 মোরারজি দেশাই

7 = 1979 চরণ সিং

8 = 1980 ইন্দিরা গান্ধী

9 = 1984 রাজীব গান্ধী

10 = 1989 বিশ্বনাথ রিটার্নস

11 = 1990 চন্দ্রশেখর

12 = 1991 পি.ভি. নরসিমা রাও

13 = 1992 অটল বিহারী বাজপেয়ী

14 = 1996 চাদে গৌড়

15 = 1997 আই.কে. গুজরাল

16 = 1998 অটল বিহারী বাজপেয়ী

17 = 2004 মনমোহন সিং

18 = 2014 নরেন্দ্র মোদী

....

Monday, 10 January 2022

,

 প্রাচীনকালে উদ্বেগ, মেজাজ পরিবর্তন এবং বিষণ্ণতা সহ মহিলাদের এজাতীয় অসুস্থতায় তাদের স্বামীরা ডাক্তারের কাছে পাঠাতেন। যেখানে চিকিৎসক রা "হিস্টিরিয়া" নামক রোগে নির্ণয় করেছিলেন।


তাদের চিকিত্সা হিস্টেরিক্যাল প্যারোক্সিজম অর্জনের জন্য একটি "পেলভিক ম্যাসেজ"

এর উপর ভিত্তি করে ছিল, যা আজ অর্গাজম নামে পরিচিত
এমন অনেক মহিলা ছিলেন যারা তাদের "হিস্টিরিয়ার চিকিত্সা" নেওয়ার জন্য ডাক্তারদের অফিসে আসতে শুরু করেছিলেন যে কর্মদিবসের শেষে ডাক্তাররা নিজেদের ক্লান্ত এবং আঁটসাঁট হাতে দেখতে পান; এই কারণে তারা একটি দরকারী ডিভাইস আবিষ্কার করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যা ছন্দময় কম্পন তৈরি করবে এবং সাধারণ ম্যানুয়াল ম্যাসাজের প্রয়োজন ছাড়াই রোগীর মধ্যে হিস্টেরিক্যাল প্যারোক্সিজম আরও সহজে এবং দ্রুত অর্জন করবে: এটি ভাইব্রেটরের উত্স। সেই সময়ে এটি একটি নিরাময় যন্ত্র হিসাবে বিবেচিত হত, এমনকি সবচেয়ে ধনী মহিলারাও যখন "হিস্টিরিকাল প্রাদুর্ভাব" অনুভব করেন তখন তাদের বাড়িতে তাদের রেখেছিলেন। পর্নোগ্রাফিক ফিল্মে এই ডিভাইসের উপস্থিতির পরে, এটি একটি সম্পূর্ণরূপে যৌন-কামোত্তেজক সূক্ষ্মতা অর্জন করে এবং একটি পাপ যন্ত্র হিসাবে দেখা শুরু করে।


Wednesday, 2 June 2021

,
ভারতীয় সেনাবাহিনী পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম সেনাবাহিনী। এই বাহিনীতে কার্যরত সেনা-জওয়ানের সংখ্যা ১১,৩০,০০০ (এগারো লক্ষ ত্রিশ হাজার) জনেরও বেশি এবং সংরক্ষিত ট্রুপসের সংখ্যা প্রায় ১৮,০০,০০০ (আঠারো লক্ষ) ।

ভারতের সেনাবাহিনীতে অধিকাংশ প্রদেশ ও জাতিগোষ্ঠীর নামে রেজিমেন্ট আছে । ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতাপ্রাপ্তির অব্যবহিত পরেই ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীর সেসকল রেজিমেন্টকে একত্রিত করে ভারতীয় সেনাবাহিনী গঠিত হয়।যেমন পাঞ্জাব রেজিমেন্ট, বিহার রেজিমেন্ট , গুর্খা রেজিমেন্ট , রাজপূত রেজিমেন্ট ইত্যাদি, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ বা ওপারের বাঙালির নামে বেঙ্গল রেজিমেন্ট সেখানে যুক্ত করা হয় নি কখনো l এই না হওইয়ার জন্য দুইটা ব্যক্তি দায়ী l

এক সুভাস বোস আর দুই জিয়াউর রহমান l

সুভাস বোসঃ

ব্রিটিশ আমলে সুভাষ বোসের আজাদ হিন্দ এর বীরত্ব তারা দেখেছে l আজাদ হিন্দ ফৌজকে এমনভাবে গঠন করা হচ্ছিল যে, তারাও জাপানি সৈন্যের সঙ্গে ভারত অভিযানে আসবে। কিন্তু জাপানি সেনাপতি টেরাউচি তিনটি কারণে এতে আপত্তি জানান। তিনি মনে করেন পরাজয়ের কারণে ভারতীয়রা ভগ্নোৎসাহ, জাপানিদের মতো কষ্টসহিষ্ণু নয় এবং মূলত তারা ভাড়াটে সৈনিক। তাই তিনি বলেন যে, জাপানিরাই ভারত অভিযানে যাবে এবং ভারতীয় বাহিনী সিঙ্গাপুরে থাকবে। সুভাষ এ প্রস্তাব মেনে নিতে পারেন নি। অনেক আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হয় যে, মাত্র এক রেজিমেন্ট ভারতীয় সৈন্য জাপানি সৈন্যদলের সঙ্গে ভাগ হয়ে যুদ্ধ করবে, যদি দেখা যায় তারা যুদ্ধক্ষেত্রে জাপানিদের সমকক্ষ তাহলে আরও ভারতীয় সৈন্য গ্রহণ করা হবে। যুদ্ধে যোগ দেওয়ার জন্য পূর্বের গান্ধী, আজাদ ও নেহরু ব্রিগেডে বিভক্ত আজাদ হিন্দ ফৌজ থেকে বাছাই করে ‘সুভাষ ব্রিগেড’ নামে নতুন একটি ব্রিগেড গঠিত হয়।

জিয়াউর রহমানঃ

৬৫ সালের পাক ভারত যুদ্ধে তৎকালীন পর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) জিয়ার বেঙ্গল রেজিমেন্টের দুর্ধষ যুদ্ধও তারা দেখেছে এবং ৭১এ ৩৫ বছরের এক ‘মেজর’ নিজ দায়িত্বে ঘোষণা করেন বিদ্রোহ। এটিই স্বাধীনতার পক্ষে প্রথম বিদ্রোহ।
১৯৭১ সালের মার্চ ২৬ এর প্রথম প্রহরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে জায়গায় দাঁড়িয়ে প্রথম বিদ্রোহ করেন সেটি ছিলো অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের খেলার মাঠ। এই মাঠে দাঁড়িয়েই অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের জড়ো করে তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান সর্বপ্রথম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন।

এই ত্রিভীতির কারণে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কোনো বেঙ্গল রেজিমেন্ট তৈরী করেনি l

Thursday, 13 May 2021

,

একটা প্রচলিত ধারণা আছে, হিটলার ইহুদিদের কে পছন্দ করতেন না। তাই তিনি চেয়েছিলেন সব ইহুদিদের কে ধ্বংস করতে। যদিও নাকি কিছু বাচিয়ে রেখেছিলেন, যাতে ভবিষ্যতে বিশ্ববাসীর বুঝতে পারে। "

কিন্তু, আসলে কখনো কি ভেবে দেখেছেন হিটলার কেন এই ইহুদী পছন্দ করতেন না ? সে তো খৃষ্টান ছিল। তার সাথে ইহুদীদের কি শত্রুতা? 



এডলফ হিটলার বিবর্তন বাদে বিশ্বাসী ছিলেন। বিবর্তন বা অভিব্যক্তি হলো এমন একটি জীববৈজ্ঞানিক ধারণা যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে জীবের গাঠনিক ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের ক্রমপরির্তনকে বুঝায়। 
তো, হিটলার মনে করতেন সারা বিশ্ববাসী এই বিবর্তনের মধ্য দিয়ে সম্পূর্ণরূপে মানুষে পরিণত হলেও  ইহুদীরা হল মানব সমাজের সবথেকে নিচু জাত। এর মানে হলো ইহুদীরা তখনো নাকি পুরোপুরি বিবর্তিত হয়নি। 

আর এরা যদি, উন্নত (ইহুদি ব্যতিত সারা বিশ্ববাসী) মানুষের সাথে বসবাস শুরু করে তবে একটা বিশাল জনসমষ্টি মানবিক অবক্ষয় ঘটবে!
ঠিক যেমনটি আমরা বুঝি। এক ঝুড়ি আম এর মধ্যে একটা পচা আম থাকলে, অই পচা আমটার ভালো হওয়ার চেয়ে, ভালো আমগুলো পচে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। 

আর এখন তো সবাই চোখের সামনে দেখছে, ইসরাইলি দের তান্ডব! 


Friday, 30 April 2021

,

বাঙ্গি পরিচিতিঃ

বাঙ্গি আমাদের দেশীয় একটি ফল। এটি আমাদের দেশে প্রচুর জন্মে। তাই খুব সহজেই পাওয়া যায়। কাঁচা অবস্থায় হালকা সবুজ এবং পেঁকে গেলে হলুদ রঙের হয়ে থাকে। বেশিরভাগ সময় বাঙ্গি পেঁকে গেলে ফেটে যায়। এটি আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী।আসুন জেনে নিই বাঙ্গির পুষ্টিগুণ এবং উপকারীতা সম্পর্কে।



বিভিন্ন খনিজ পদার্থ, নানা রকম ভিটামিন এবং ফলিক এসিড সমৃদ্ধ বাঙ্গি খুবই উপকারী এবং পুষ্টিগুণ সম্পূর্ণ একটি ফল।

পুষ্টিগুণঃ

প্রতি ১০০ গ্রাম বাঙ্গিতে আছে 

*পানি ৭৩.২ গ্রাম,

*আমিষ ২.৯,

*শর্করা ২৩.৮ গ্রাম,

*ক্যালসিয়াম ১১ মিলিগ্রাম,

*আয়রন ১.৮ মিলিগ্রাম,

*ভিটামিন বি১ ৭.০২ মিলিগ্রাম,

*ভিটামিন বি২ ১১.০৫ মিলিগ্রাম,

*ভিটামিন সি ৫১ মিলিগ্রাম,

*ভিটামিন এ ৮৫ মিলিগ্রাম,

*খাদ্যশক্তি ১০৪ কিলোক্যালরি এবং 

*বিভিন্ন খনিজ পদার্থ ১ গ্রাম। 


উপকারীতাঃ

১. বাঙ্গিতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এ বিদ্যমান। ভিটামিন এ চোখের দৃষ্টি বাড়াতে সাহায্য করে।


২. ভিটামিন বি এর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ‘ইন্সনিটোল’ যা আমাদের নতুন করে চুল গজাতে সাহায্য করে এবং চুল পড়া প্রতিরোধ করে। এই উপাদানটি বাঙ্গিতে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। নিয়মিত বাঙ্গি খেলে চুল হয় স্বাস্থ্যউজ্জ্বল ও সুন্দর।

৩. অন্যদিকে ভিটামিন সি ত্বক ভালো রাখতে সহায়তা করে। সেই সঙ্গে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এতে থাকা ভিটামিন সি ত্বকে বয়সের ছাপ এবং ত্বক কুচকে যাওয়া প্রতিরোধ করে।

৪. এতে রয়েছে উচ্চ পরিমাণের ভিটামিন সি এবং বিটা ক্যারোটিন। বিটা ক্যারোটিন ও ভিটামিন সি-র সংমিশ্রণ আমাদের শরীরের কাটাছেঁড়া দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে।


৫.  বাঙ্গিতে কোনো চর্বি বা কোলস্টেরল নেই। তাই বাঙ্গি খেলে মুটিয়ে যাওয়ার ভয় নেই। বরং দেহের ওজন কমাতে সাহায্য করে।


৬. পটাশিয়াম থাকায় উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে এর ভূমিকা অনেক।


৭.এতে চিনির পরিমাণ খুব কম। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও বাঙ্গি যথেষ্ট উপকারী।


৮. এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ বা ডায়াটারি ফাইবার, যা খাবার হজমে সাহায্য করে।


৯. এসিডিটি ও আলসার কমাতে বাঙ্গির ভূমিকা অনেক।


১০. আপনার নিদ্রাহীনতা থাকলে নিয়মিত বাঙ্গি খেলে তা দূর করতে সাহায্য করে।


১১. ক্ষুধামান্দ্য, হাড়ের ভঙ্গুরতা রোধ করে বাঙ্গি। বিশেষ করে নারীদের হাড় মজবুত করতে বিশেষ ভূমিকা রাখে বাঙ্গি।


১২. বাঙ্গিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফলিক অ্যাসিড যা রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে। তাই মানুষের জন্য, বিশেষ করে গর্ভবতী মায়েদের জন্য বাঙ্গি বিশেষ উপকারী ফল।


১৩. মনের অবসাদ দূর করার ক্ষমতাও রয়েছে এই ফলে।


১৪. গরম ও অতিরিক্ত রোদের জন্য হয় সানবার্ন, সামার বয়েল, হিট হাইপার পাইরেক্সিয়া। বাঙ্গির রস এই অসুখগুলো প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।


১৫. বাঙ্গিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পানি, যা গরমে শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে।


১৬.বাঙ্গিতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ক্যান্সার প্রতিরোধ এ ভূমিকা রাখে। 


১৭. ত্বকের ব্রনের সমস্যা কিংবা একজিমা সমসসায় যারা ভুগে থাকেন তাদের জন্য বাঙ্গি অনেক বেশি উপকারী। বাঙ্গি ব্লেন্ডারে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিয়ে একটি পাতলা কাপড়ে ছেঁকে রসটুকু বের করে লোশনের মতো ব্যবহার করা গেলে ব্রণ এবং একজিমার সমস্যা থেকে রক্ষা পাবেন।


১৭. অক্সিকাইন এর উপস্থিতি তে কিডনী পরিষ্কার করে ও কিডনী পাথর নিরাময়ে সাহায্য করে।


১৮. কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে বাঙ্গির ভূমিকা রয়েছে।


১৯.মূত্রনালীর ক্ষত সারাতে বাঙ্গি অনেক কার্যকর।


২০. শ্বেতরক্ত কনিকার পরিমান বাড়ায় যা ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে।


২১.এটি ফুসফুসকে পরিস্কার করে এবং নিকোটিন এর নেশা কাটাতে সাহায্য করে।


২২.ছোট বাচ্চাদের মেধা বিকাশে সহায়ক এই ফল।


২৩. নিয়মিত বাঙ্গি থেঁতো করে নিয়ে মধুর সাথে মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে ২০ মিনিট থাকলে পাবেন উজ্জ্বল সুন্দর ত্বক।


গরম কালে রোজার ইফতারে সহজলভ্য ও পুষ্টির ভান্ডার এই ফল রাখুন। সুস্থ থাকুন

Tuesday, 27 April 2021

,
ভালো করে লক্ষ্য করুন বিন্দুটিকে । এখানেই আমরা থাকি, এটাই আমরা। আমরা এটির উপরে কতই না অধিকার প্রতিস্থাপন করি। এখানে যারা যারা আপনার প্রিয়, যাদেরকে আপনি জানেন, আপনি যাদের সম্পর্কে শুনেছেন, ইতোপূর্বে যত মানব সম্প্রদায় ছিল, তাদের সবাই এখানেই জীবনযাপন করেছিলেন। 
আমাদের আনন্দ ও দুর্ভোগের সমষ্টি, সহস্র আত্মবিশ্বাসী ধর্ম, আদর্শ, এবং অর্থনৈতিক মতবাদ, প্রতিটি শিকারী এবং পালক, প্রত্যেক বীর এবং কাপুরুষ, সভ্যতার প্রতিটি স্রষ্টা এবং ধ্বংসকারী, প্রতিটি রাজা ও কৃষক, প্রতিটি প্রেমিক যুবক-যুবতি, প্রতিটি মা এবং পিতা, আশাবাদী শিশু, উদ্ভাবক এবং অন্বেষণকারী, নৈতিকতার প্রতিটি শিক্ষক, প্রতিটি দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদ, প্রতিটি "সুপারস্টার," প্রত্যেক "সর্বোচ্চ নেতা," আমাদের প্রজাতির ইতিহাসের প্রতিটি সাধু ও পাপী সেখানে বাস করেছিলেন।
 - অসংখ্য ধূলিকণার সমন্বয়ে গঠিত স্থগিত একটি রোদ, এক টুকরোতে, সেখানে আপনি থাকেন।



-কার্ল সাগান (পেলে ব্লু ডট)

কার্ল সাগান এর মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছিলেন, মানুষ হিসেবে আমরা যে এত প্রতিপদ্য -আধিপত্য বিস্তার, দাম্ভিকতার লড়াইয়ে নিমজ্জিত। আদৌ কি আমাদের অস্তিত্ব চিরস্থায়ী? ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, পৃথিবীর সিংহাসনের রাজ করা কোন রাজাই আজ বেঁচে নেই। বেঁচে নেই কোন সভ্যতা যা গড়ে উঠেছিল শত শত বছর আগে, শুধু এগুলো স্মৃতি বহন করে এগিয়ে চলছে পৃথিবী। এবং এভাবেই চলতে থাকবে ধ্বংসের আগ অব্দি।

Follow Us @soratemplates