Wednesday, 2 June 2021

,
ভারতীয় সেনাবাহিনী পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম সেনাবাহিনী। এই বাহিনীতে কার্যরত সেনা-জওয়ানের সংখ্যা ১১,৩০,০০০ (এগারো লক্ষ ত্রিশ হাজার) জনেরও বেশি এবং সংরক্ষিত ট্রুপসের সংখ্যা প্রায় ১৮,০০,০০০ (আঠারো লক্ষ) ।

ভারতের সেনাবাহিনীতে অধিকাংশ প্রদেশ ও জাতিগোষ্ঠীর নামে রেজিমেন্ট আছে । ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতাপ্রাপ্তির অব্যবহিত পরেই ব্রিটিশ ভারতীয় সেনাবাহিনীর সেসকল রেজিমেন্টকে একত্রিত করে ভারতীয় সেনাবাহিনী গঠিত হয়।যেমন পাঞ্জাব রেজিমেন্ট, বিহার রেজিমেন্ট , গুর্খা রেজিমেন্ট , রাজপূত রেজিমেন্ট ইত্যাদি, কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ বা ওপারের বাঙালির নামে বেঙ্গল রেজিমেন্ট সেখানে যুক্ত করা হয় নি কখনো l এই না হওইয়ার জন্য দুইটা ব্যক্তি দায়ী l

এক সুভাস বোস আর দুই জিয়াউর রহমান l

সুভাস বোসঃ

ব্রিটিশ আমলে সুভাষ বোসের আজাদ হিন্দ এর বীরত্ব তারা দেখেছে l আজাদ হিন্দ ফৌজকে এমনভাবে গঠন করা হচ্ছিল যে, তারাও জাপানি সৈন্যের সঙ্গে ভারত অভিযানে আসবে। কিন্তু জাপানি সেনাপতি টেরাউচি তিনটি কারণে এতে আপত্তি জানান। তিনি মনে করেন পরাজয়ের কারণে ভারতীয়রা ভগ্নোৎসাহ, জাপানিদের মতো কষ্টসহিষ্ণু নয় এবং মূলত তারা ভাড়াটে সৈনিক। তাই তিনি বলেন যে, জাপানিরাই ভারত অভিযানে যাবে এবং ভারতীয় বাহিনী সিঙ্গাপুরে থাকবে। সুভাষ এ প্রস্তাব মেনে নিতে পারেন নি। অনেক আলোচনার পর সিদ্ধান্ত হয় যে, মাত্র এক রেজিমেন্ট ভারতীয় সৈন্য জাপানি সৈন্যদলের সঙ্গে ভাগ হয়ে যুদ্ধ করবে, যদি দেখা যায় তারা যুদ্ধক্ষেত্রে জাপানিদের সমকক্ষ তাহলে আরও ভারতীয় সৈন্য গ্রহণ করা হবে। যুদ্ধে যোগ দেওয়ার জন্য পূর্বের গান্ধী, আজাদ ও নেহরু ব্রিগেডে বিভক্ত আজাদ হিন্দ ফৌজ থেকে বাছাই করে ‘সুভাষ ব্রিগেড’ নামে নতুন একটি ব্রিগেড গঠিত হয়।

জিয়াউর রহমানঃ

৬৫ সালের পাক ভারত যুদ্ধে তৎকালীন পর্ব পাকিস্তানের (বর্তমান বাংলাদেশ) জিয়ার বেঙ্গল রেজিমেন্টের দুর্ধষ যুদ্ধও তারা দেখেছে এবং ৭১এ ৩৫ বছরের এক ‘মেজর’ নিজ দায়িত্বে ঘোষণা করেন বিদ্রোহ। এটিই স্বাধীনতার পক্ষে প্রথম বিদ্রোহ।
১৯৭১ সালের মার্চ ২৬ এর প্রথম প্রহরে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান যে জায়গায় দাঁড়িয়ে প্রথম বিদ্রোহ করেন সেটি ছিলো অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের খেলার মাঠ। এই মাঠে দাঁড়িয়েই অষ্টম ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের সৈনিকদের জড়ো করে তৎকালীন মেজর জিয়াউর রহমান সর্বপ্রথম পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেন।

এই ত্রিভীতির কারণে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে কোনো বেঙ্গল রেজিমেন্ট তৈরী করেনি l

Thursday, 13 May 2021

,

একটা প্রচলিত ধারণা আছে, হিটলার ইহুদিদের কে পছন্দ করতেন না। তাই তিনি চেয়েছিলেন সব ইহুদিদের কে ধ্বংস করতে। যদিও নাকি কিছু বাচিয়ে রেখেছিলেন, যাতে ভবিষ্যতে বিশ্ববাসীর বুঝতে পারে। "

কিন্তু, আসলে কখনো কি ভেবে দেখেছেন হিটলার কেন এই ইহুদী পছন্দ করতেন না ? সে তো খৃষ্টান ছিল। তার সাথে ইহুদীদের কি শত্রুতা? 



এডলফ হিটলার বিবর্তন বাদে বিশ্বাসী ছিলেন। বিবর্তন বা অভিব্যক্তি হলো এমন একটি জীববৈজ্ঞানিক ধারণা যা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তরে জীবের গাঠনিক ও চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যের ক্রমপরির্তনকে বুঝায়। 
তো, হিটলার মনে করতেন সারা বিশ্ববাসী এই বিবর্তনের মধ্য দিয়ে সম্পূর্ণরূপে মানুষে পরিণত হলেও  ইহুদীরা হল মানব সমাজের সবথেকে নিচু জাত। এর মানে হলো ইহুদীরা তখনো নাকি পুরোপুরি বিবর্তিত হয়নি। 

আর এরা যদি, উন্নত (ইহুদি ব্যতিত সারা বিশ্ববাসী) মানুষের সাথে বসবাস শুরু করে তবে একটা বিশাল জনসমষ্টি মানবিক অবক্ষয় ঘটবে!
ঠিক যেমনটি আমরা বুঝি। এক ঝুড়ি আম এর মধ্যে একটা পচা আম থাকলে, অই পচা আমটার ভালো হওয়ার চেয়ে, ভালো আমগুলো পচে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। 

আর এখন তো সবাই চোখের সামনে দেখছে, ইসরাইলি দের তান্ডব! 


Friday, 30 April 2021

,

বাঙ্গি পরিচিতিঃ

বাঙ্গি আমাদের দেশীয় একটি ফল। এটি আমাদের দেশে প্রচুর জন্মে। তাই খুব সহজেই পাওয়া যায়। কাঁচা অবস্থায় হালকা সবুজ এবং পেঁকে গেলে হলুদ রঙের হয়ে থাকে। বেশিরভাগ সময় বাঙ্গি পেঁকে গেলে ফেটে যায়। এটি আমাদের শরীরের জন্য অনেক উপকারী।আসুন জেনে নিই বাঙ্গির পুষ্টিগুণ এবং উপকারীতা সম্পর্কে।



বিভিন্ন খনিজ পদার্থ, নানা রকম ভিটামিন এবং ফলিক এসিড সমৃদ্ধ বাঙ্গি খুবই উপকারী এবং পুষ্টিগুণ সম্পূর্ণ একটি ফল।

পুষ্টিগুণঃ

প্রতি ১০০ গ্রাম বাঙ্গিতে আছে 

*পানি ৭৩.২ গ্রাম,

*আমিষ ২.৯,

*শর্করা ২৩.৮ গ্রাম,

*ক্যালসিয়াম ১১ মিলিগ্রাম,

*আয়রন ১.৮ মিলিগ্রাম,

*ভিটামিন বি১ ৭.০২ মিলিগ্রাম,

*ভিটামিন বি২ ১১.০৫ মিলিগ্রাম,

*ভিটামিন সি ৫১ মিলিগ্রাম,

*ভিটামিন এ ৮৫ মিলিগ্রাম,

*খাদ্যশক্তি ১০৪ কিলোক্যালরি এবং 

*বিভিন্ন খনিজ পদার্থ ১ গ্রাম। 


উপকারীতাঃ

১. বাঙ্গিতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন এ বিদ্যমান। ভিটামিন এ চোখের দৃষ্টি বাড়াতে সাহায্য করে।


২. ভিটামিন বি এর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান ‘ইন্সনিটোল’ যা আমাদের নতুন করে চুল গজাতে সাহায্য করে এবং চুল পড়া প্রতিরোধ করে। এই উপাদানটি বাঙ্গিতে প্রচুর পরিমাণে রয়েছে। নিয়মিত বাঙ্গি খেলে চুল হয় স্বাস্থ্যউজ্জ্বল ও সুন্দর।

৩. অন্যদিকে ভিটামিন সি ত্বক ভালো রাখতে সহায়তা করে। সেই সঙ্গে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এতে থাকা ভিটামিন সি ত্বকে বয়সের ছাপ এবং ত্বক কুচকে যাওয়া প্রতিরোধ করে।

৪. এতে রয়েছে উচ্চ পরিমাণের ভিটামিন সি এবং বিটা ক্যারোটিন। বিটা ক্যারোটিন ও ভিটামিন সি-র সংমিশ্রণ আমাদের শরীরের কাটাছেঁড়া দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে।


৫.  বাঙ্গিতে কোনো চর্বি বা কোলস্টেরল নেই। তাই বাঙ্গি খেলে মুটিয়ে যাওয়ার ভয় নেই। বরং দেহের ওজন কমাতে সাহায্য করে।


৬. পটাশিয়াম থাকায় উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে এর ভূমিকা অনেক।


৭.এতে চিনির পরিমাণ খুব কম। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের জন্যও বাঙ্গি যথেষ্ট উপকারী।


৮. এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আঁশ বা ডায়াটারি ফাইবার, যা খাবার হজমে সাহায্য করে।


৯. এসিডিটি ও আলসার কমাতে বাঙ্গির ভূমিকা অনেক।


১০. আপনার নিদ্রাহীনতা থাকলে নিয়মিত বাঙ্গি খেলে তা দূর করতে সাহায্য করে।


১১. ক্ষুধামান্দ্য, হাড়ের ভঙ্গুরতা রোধ করে বাঙ্গি। বিশেষ করে নারীদের হাড় মজবুত করতে বিশেষ ভূমিকা রাখে বাঙ্গি।


১২. বাঙ্গিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফলিক অ্যাসিড যা রক্ত তৈরিতে সাহায্য করে। তাই মানুষের জন্য, বিশেষ করে গর্ভবতী মায়েদের জন্য বাঙ্গি বিশেষ উপকারী ফল।


১৩. মনের অবসাদ দূর করার ক্ষমতাও রয়েছে এই ফলে।


১৪. গরম ও অতিরিক্ত রোদের জন্য হয় সানবার্ন, সামার বয়েল, হিট হাইপার পাইরেক্সিয়া। বাঙ্গির রস এই অসুখগুলো প্রতিরোধ করতে সাহায্য করে।


১৫. বাঙ্গিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে পানি, যা গরমে শরীরের তাপমাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে।


১৬.বাঙ্গিতে রয়েছে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা ক্যান্সার প্রতিরোধ এ ভূমিকা রাখে। 


১৭. ত্বকের ব্রনের সমস্যা কিংবা একজিমা সমসসায় যারা ভুগে থাকেন তাদের জন্য বাঙ্গি অনেক বেশি উপকারী। বাঙ্গি ব্লেন্ডারে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিয়ে একটি পাতলা কাপড়ে ছেঁকে রসটুকু বের করে লোশনের মতো ব্যবহার করা গেলে ব্রণ এবং একজিমার সমস্যা থেকে রক্ষা পাবেন।


১৭. অক্সিকাইন এর উপস্থিতি তে কিডনী পরিষ্কার করে ও কিডনী পাথর নিরাময়ে সাহায্য করে।


১৮. কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে বাঙ্গির ভূমিকা রয়েছে।


১৯.মূত্রনালীর ক্ষত সারাতে বাঙ্গি অনেক কার্যকর।


২০. শ্বেতরক্ত কনিকার পরিমান বাড়ায় যা ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়াকে ধ্বংস করে।


২১.এটি ফুসফুসকে পরিস্কার করে এবং নিকোটিন এর নেশা কাটাতে সাহায্য করে।


২২.ছোট বাচ্চাদের মেধা বিকাশে সহায়ক এই ফল।


২৩. নিয়মিত বাঙ্গি থেঁতো করে নিয়ে মধুর সাথে মিশিয়ে ত্বকে লাগিয়ে ২০ মিনিট থাকলে পাবেন উজ্জ্বল সুন্দর ত্বক।


গরম কালে রোজার ইফতারে সহজলভ্য ও পুষ্টির ভান্ডার এই ফল রাখুন। সুস্থ থাকুন

Tuesday, 27 April 2021

,
ভালো করে লক্ষ্য করুন বিন্দুটিকে । এখানেই আমরা থাকি, এটাই আমরা। আমরা এটির উপরে কতই না অধিকার প্রতিস্থাপন করি। এখানে যারা যারা আপনার প্রিয়, যাদেরকে আপনি জানেন, আপনি যাদের সম্পর্কে শুনেছেন, ইতোপূর্বে যত মানব সম্প্রদায় ছিল, তাদের সবাই এখানেই জীবনযাপন করেছিলেন। 
আমাদের আনন্দ ও দুর্ভোগের সমষ্টি, সহস্র আত্মবিশ্বাসী ধর্ম, আদর্শ, এবং অর্থনৈতিক মতবাদ, প্রতিটি শিকারী এবং পালক, প্রত্যেক বীর এবং কাপুরুষ, সভ্যতার প্রতিটি স্রষ্টা এবং ধ্বংসকারী, প্রতিটি রাজা ও কৃষক, প্রতিটি প্রেমিক যুবক-যুবতি, প্রতিটি মা এবং পিতা, আশাবাদী শিশু, উদ্ভাবক এবং অন্বেষণকারী, নৈতিকতার প্রতিটি শিক্ষক, প্রতিটি দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদ, প্রতিটি "সুপারস্টার," প্রত্যেক "সর্বোচ্চ নেতা," আমাদের প্রজাতির ইতিহাসের প্রতিটি সাধু ও পাপী সেখানে বাস করেছিলেন।
 - অসংখ্য ধূলিকণার সমন্বয়ে গঠিত স্থগিত একটি রোদ, এক টুকরোতে, সেখানে আপনি থাকেন।



-কার্ল সাগান (পেলে ব্লু ডট)

কার্ল সাগান এর মাধ্যমে বোঝাতে চেয়েছিলেন, মানুষ হিসেবে আমরা যে এত প্রতিপদ্য -আধিপত্য বিস্তার, দাম্ভিকতার লড়াইয়ে নিমজ্জিত। আদৌ কি আমাদের অস্তিত্ব চিরস্থায়ী? ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, পৃথিবীর সিংহাসনের রাজ করা কোন রাজাই আজ বেঁচে নেই। বেঁচে নেই কোন সভ্যতা যা গড়ে উঠেছিল শত শত বছর আগে, শুধু এগুলো স্মৃতি বহন করে এগিয়ে চলছে পৃথিবী। এবং এভাবেই চলতে থাকবে ধ্বংসের আগ অব্দি।

,

 একটা হাতি আর একটা কুকুর একই সাথে প্রেগনেন্ট হলো। ৩ মাসের ব্যবধানে কুকুরটি ৩টি ছানা প্রসব করলো। ৬ মাস পরে কুকুরটি আবার প্রেগনেন্ট হলো আর নয় মাস পরে এক ডজন বাচ্চা প্রসব করলো। এই ভাবে পালাক্রমে চলতেই থাকলো। ১৮ তম মাসে, কুকুরটি হাতিটিকে বললো, "বন্ধু  তুমি কি নিশ্চিত যে তুমি প্রেগনেন্ট? আমরা একই সাথে প্রেগনেন্ট হয়ে ছিলাম,আমি এর মাঝে আমি ৩ বারে ডজন খানেক বাচ্চা প্রসব করেছি,আর সেগুলো এখন প্রাপ্ত বয়স্কও হয়ে গেছে, কিন্তু তুমি এখনও প্রেগন্যান্ট"

মা হাতিটি উত্তর দিলো, আমার পেটে কুকুর ছানা না, হাতি ছানা বেড়ে উঠছে, আমি দুই বছর পর পর বাচ্চা প্রসব করি, যখন বাচ্চাটা পৃথিবীর মাটি স্পর্শ করে, পৃথিবীর মাটি বুঝতে পারে, যখন বাচ্চাটা বড় হয়ে রাস্তা পার হয়, লোকজন দাঁড়িয়ে অবাক হয়ে দেখে, যে বাচ্চাটা আমি পেটে ধারন করি, সেটা মানুষের আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে যায়।
গল্পটা এইজন্য বলা, যখন আসে পাশের মানুষের আশা পূরণ হতে দেখবেন, তাদের সফলতা দেখবেন, হতাশ হবেন না। নিশ্চয় সৃষ্টিকর্তা আপনার জন্য উপযুক্ত সময়ে উপযুক্ত সফলতা নির্ধারণ করে রেখেছেন, যখন আপনার জন্য বরাদ্দ সেই মুহূর্ত আসবে, পৃথিবী আপনার কাজের দিকে মুগ্ধ হয়ে থাকবে। অপেক্ষা করুন, লেগে থাকুন, পরিশ্রম করুন আর প্রার্থনা করুন। সফলতা  একদিন  আসবেই ইনশাআল্লাহ।

Follow Us @soratemplates